কলকাতা — এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) সোমবার গভীর রাতে (১১ মে, ২০২৬) প্রাক্তন তৃণমূল মন্ত্রী সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছে। সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ম্যারাথন ১০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তদন্তে “অসঙ্গতি” এবং “অসহযোগিতার” অভিযোগে এই পদক্ষেপ নিয়েছেন কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা।
মামলার মূল তথ্য
- অভিযোগ: দক্ষিণ দমদম পুরসভায় টাকার বিনিময়ে প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীর অবৈধ সুপারিশ করার অভিযোগ রয়েছে সুজিত বসুর বিরুদ্ধে।
- প্রমাণ ও সম্পত্তি: তদন্তকারীরা “দুর্নীতির টাকা” (proceeds of crime) দিয়ে কেনা বেশ কিছু বিলাসবহুল ফ্ল্যাট এবং তাঁর নিয়ন্ত্রণাধীন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ রহস্যজনক নগদ জমার হদিস পেয়েছেন।
- তদন্তের সূত্রপাত: ২০২৩ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রোমোটার অয়ন শীলের দপ্তরে তল্লাশি চালিয়ে একাধিক পুরসভার এই নিয়োগ দুর্নীতির যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছিল।
- রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর এটিই প্রথম কোনও হেভিওয়েট প্রাক্তন মন্ত্রীর গ্রেফতারি। বিধাননগর আসনে বিজেপি প্রার্থী শরৎবত মুখোপাধ্যায়ের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন সুজিত বসু।
পরবর্তী পদক্ষেপ
মঙ্গলবার ভোরে সুজিত বসুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়েছে। আজ, ১২ মে তাঁকে বিশেষ পিএমএলএ (PMLA) আদালতে পেশ করা হবে। এই নিয়োগ দুর্নীতির শিকড়ে পৌঁছতে ইডি তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে বলে খবর।

