- ভিত্তি: শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্তের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সফল ব্যবসায়িক সংস্কার এবং ডিরেগুলেশন ড্রাইভ.
সংস্কারের মাইলফলক (Reform Milestones):
- উত্তর-পূর্ব ভারতে শীর্ষ স্থান: কেন্দ্রের ব্যবসায়িক সংস্কার ব্যবস্থা বাস্তবায়নে টানা ২ বছর প্রথম স্থান বজায় রাখা.
- প্রথম পর্যায়ের কাজ সম্পন্ন: গত বছর ২৩টি সেক্টরে সফল সংস্কার.
- দ্বিতীয় পর্যায়ের সাফল্য: নির্দিষ্ট ২৮টি সেক্টরে সময়সীমার আগেই সংস্কার সম্পন্ন.
মূল উদ্যোগ এবং প্রভাব (Key Initiatives & Impact):
- সিঙ্গল-উইন্ডো অনলাইন পোর্টাল: বিনিয়োগকারীদের জন্য অনুমোদন এবং লাইসেন্সিং প্রক্রিয়াকে সহজ করা হয়েছে.
- ডিরেগুলেশন (নিয়ম শিথিলকরণ): শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আতিথেয়তা এবং শ্রমের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে নিয়ম শিথিল করা হয়েছে.
- মূল ফোকাস: বেসরকারি বিনিয়োগে বাধা সৃষ্টিকারী আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করা.
বিনিয়োগের রূপরেখা ও লক্ষ্য (Pipeline & Future Goals):
- মোট প্রস্তাবিত বিনিয়োগ: প্রায় ৩৫,০০০ কোটি টাকা.
- ‘গ্রাউন্ডেড’ বিনিয়োগ: প্রায় ৫,৩৫২ কোটি টাকা (জমি বরাদ্দ হয়েছে এবং কাজ শুরু হয়েছে).
- উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য: বার্ষিক রাজ্য বাজেটের (~৩৪,০০০ কোটি টাকা) সমপরিমাণ বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা। বর্তমান গতি বজায় থাকলে এক বছরের মধ্যেই তা সম্ভব.
- নতুন বিনিয়োগ সম্মেলন: আগামী জুলাই মাসে পরিকল্পনা করা হয়েছে, যেখানে ৩০,০০০ – ৪০,০০০ কোটি টাকার নতুন বিনিয়োগ প্রস্তাবের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে.

